শনিবার, ২০ Jun ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
ভযেস নিউজ ডেস্ক:
‘নাইটলাইফ’ হলো বিনোদনের জন্য বহুল প্রচলিত শব্দ। যাতে সাধারণত সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত বিনোদনের জন্য পাব, বার, নাইটক্লাব, পার্টি, লাইভ মিউজিক, কনসার্ট, থিয়েটার, সিনেমা এবং শো প্রভৃতির ব্যবস্থা থাকে। পর্যটনের জন্য বিখ্যাত দেশগুলোতে এ ধরনের নাইটলাইফের ব্যবস্থা থাকে। কক্সবাজারে পর্যটক বাড়াতে এ ধরনের নাইটলাইফের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আবু তাহের। তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে পর্যটক বাড়াতে হলে নাইটলাইফের ব্যবস্থা করতে হবে। বাড়াতে হবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।’ সেইসঙ্গে রাস্তার পাশে পরিচ্ছন্ন খাবারের ব্যবস্থাও রাখতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে কক্সবাজারের শৈবাল হোটেলে ‘কক্সবাজার: আশা প্রত্যাশার পর্যটন’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন গণমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড যৌথভাবে এই সেমিনার আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।
এই সংবাদকর্মী আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে কি শুধু সমুদ্রসৈকত দেখার জন্য বিদেশি পর্যটকরা এখানে আসবেন? কক্সবাজারকে উন্নত পর্যটনকেন্দ্র গড়ে বিদেশি পর্যটক টানতে হবে। এজন্য দরকার সরকারি-বেসরকারিভাবে আন্তরিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। সৈকতসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাড়াতে হবে।’
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘোরার অভিজ্ঞতা তুলে তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বের নানান দেশ ঘুরেছি, সেখানে লাখ লাখ পর্যটক নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিদেশে সরকারি সংস্থাগুলো পর্যটন নিয়ে আন্তরিক বলেই সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রয়েছে।’
বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিনিধি উদিসা ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উপ-পরিচালক মো. মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ও হোটেল কল্লোলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হাসান ও কক্সবাজার জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম ডালিম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার বিচ বাইক মালিক সমবায় সমিতি সভাপতি আনোয়ার ইসলাম হিরু ও সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রাসেল, কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের এবং ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) সাধারণ সম্পাদক নুরুল কবির পাশা। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল হাসান।
কক্সবাজারের পর্যটন নিয়ে বাংলা ট্রিবিউন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের দুই দিনের আয়োজনে প্রথম দিন সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ‘সৈকত থাকুক পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব’ প্রতিপাদ্য নিয়ে পালন করা হয় সচেতনতামূলক কার্যক্রম। এদিন লাবণী পয়েন্ট থেকে সুগন্ধা পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকত থেকে প্লাস্টিকসহ বর্জ্য সরানোর কাজে অংশ নেন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক।
দুই দিনের এই আয়োজনে বিশেষ সহযোগিতা করেছে বিকাশ। কর্মসূচির এয়ারলাইন পার্টনার ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, নলেজ পার্টনার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, বেভারেজ পার্টনার কাজী অ্যান্ড কাজী টি এবং হসপিটালিটি পার্টনার হোটেল কল্লোল। স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাপনায় ছিল ইয়াসিদ।
ভয়েস/জেইউ।